যাকাত

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু

১) পক্ষান্তরে, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পবিত্র অন্তরে যারা দিয়ে থাকে, অতএব, তারাই দ্বিগুণ লাভ করে। (সূরা রূম-৩৯)

২) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর ইন্তিকালের পর হযরত আবু বকর (রাঃ) কে তাঁর স্থলাভিসিক্ত করা হয়, এবং আরবের কিছু লোক মুরতাদ (ইসলাম ত্যাগী) হয়ে যায়। এমতাবস্থায় হযরত ওমর (রাঃ) হযরত আবু বকর (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন: আপনি মানুষদের বিরুদ্ধে জিহাদের সিদ্ধান্ত কিভাবে গ্রহণ করবেন? অথচ নবী (সাঃ) ঘোষণা করেছেন আমি নির্দেশ প্রাপ্ত হয়েছি যে, যতক্ষন না লোকেরা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্” বলবে, ততক্ষন আমি তাদের বিরুদ্ধে যদ্ধ করব। এরপর যে ব্যক্তি “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্” বলবে, তাঁর জান মাল আমার নিকট নিরাপদ। অবশ্য শরীয়তের দৃষ্টিতে তার উপর কোন শাস্তি আসলে তা কার্যকর হবে এবং তার হিসাব-নিকাশ আল্লাহর নিকটে। হযরত আবু বকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি অবশ্যই ওদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব, যারা নামায ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করে। কেননা যাকাত হল ধন-সম্পদের হক। আল্লাহর কসম! তারা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর যুগে যে বেশি রশি যাকাত দিত, যদি তাও দিতে তারা অস্বীকার করে, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই যুদ্ধ করব। ( আবু দাউদ শরীফ-১৫৫৬)