রোজা পালনকারীর জন্য ফযীলত প্রসংগে

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু

১) রোজা পালনকারী পুরুষ, রোজা পালনকারী নারী, যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী পুরুষ, যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী নারী, আল্লাহর অধিক যিকরকারী পুরুষ ও যিকরকারী নারী তাদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরষ্কার। (সূরা আহযাব-৩৫)

২) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানে রোজা রাখে এবং দাঁড়িয়ে ইবাদত করে ঈমান রেখে ও সওয়াব মনে করে, তার পূর্ববর্তী সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি রাত্রে নামাজ আদায় করে ঈমান নিয়ে ও সওয়াব মনে করে তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। (তিরমিযী শরীফ-৬৮৩)

৩) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তোমাদের প্রভু বলেন, প্রতিটি নেক কাজ দশগুণ হতে সাতশ গুণ পর্যন্ত হয়। আর রোজা আমার জন্য, আমিই এর প্রতিদান দিবো। বস্তুত রোজা হলো, জাহান্নাম হতে ঢাল। রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ্ তা‘আলার কাছে মিশকের ঘ্রাণের চেয়েও অধিক সুগন্ধিযুক্ত। তোমাদের সঙ্গে যদি কোন জাহেল রোজা অবস্থায় বর্বর আচরণ করে তাহলে সে যেন বলে, ‘আমি সায়েম বা রোজাদার’। (তিরমিযী শরীফ-৭৬৪)

৪) হযরত সাহল ইবনে সাদ (রাঃ) নবী করিম (সাঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি এরশাদ করেছেন, জান্নাতে এমন একটি দ্বার রয়েছে যেটিকে বলা হয় রাইয়্যান। রোজাদারকে এই দরজা দিয়ে ডাকা হবে। যে রোজাদারদের অন্তর্ভুক্ত হবে,সে এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। আর যে এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে সে কখনও পিপাসায় আক্রান্ত হবে না। (তিরমিযী শরীফ-৭৬৫)