রোজা ফরজ করা হয়েছে

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু

১) আর পানাহার কর যতক্ষন না কালো রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোজা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। (সূরা বাক্বারাহ-১৮৭)

২) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, রোজাদারের আনন্দ হবে যখন সে সাক্ষাত করবে তার প্রভুর সঙ্গে। (তিরমিযী শরীফ-৭৬৬)

৩) হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। (সূরা বাক্বারাহ-১৮৩)

৪) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তোমরা একদিন অথবা দুদিন পূর্বে ইসতিকবালের নিয়তে রোজা রেখো না। তবে যদি এটি তোমাদের কারো পূর্বের অভ্যাস অনুযায়ী রাখা রোজার অনকূল হয়ে যায় সেটা ভিন্ন ব্যাপার। তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং ভঙ্গ করো। যদি তোমাদের কাছে চাঁদ গোপন থাকে তাহলে ৩০ দিন গুণে নাও। তারপর রোজা মওকুফ করো। (তিরমিয়ী শরীফ-৬৮৪)

৫) হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা কামনা করতাম, আমাদের উপস্থিতিতে নবী করিম (সাঃ) এর কাছে এসে কোন জ্ঞানবান বেদুঈন যদি প্রশ্ন করতো তবে কতোই না ভাল হতো। আমরা এ অবস্থায় থাকাকালে এক বেদুঈন এলো। তারপর নবী করিম (সাঃ) এর সামনে হাঁটু গেড়ে বসলো। বললো, হে মুহাম্মদ! আপনার বার্তাবাহক আমাদের কাছে এসে বলেছেন, আপনি নাকি বলেন যে, আল্লাহ্ তা’আলা আপনাকে রাসুল করে পাঠিয়েছেন? এ শুনে নবী করিম (সাঃ) বললেন, হ্যাঁ।

লোকটি জিজ্ঞেস করলো, যিনি আসমানকে উঁচু করে বানিয়েছেন এবং জমিনকে বিস্তৃত করে দিয়েছেন, আর পর্বতগুলোকে গেড়ে দিয়েছেন তার শপথ! আল্লাহ্ তা’আলা কি আপনাকে রাসুলরূপে পাঠিয়েছেন? জবাবে রাসুল (সাঃ) বলেছেন, হ্যাঁ। ……….লোকটি বললো, আপনার বার্তাবাহক আমাদের সামনে বলেছেন, আপনি বলেন, আমাদের উপর মালের যাকাত রয়েছে? জবাবে নবী করিম (সাঃ) বললেন, সে সত্য বলেছে। লোকটি বললো, যে সত্তা আপনাকে রাসুল করে পাঠিয়েছেন তার কসম! আল্লাহ্ কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? জবাবে নবী করিম (সাঃ) বললেন হ্যাঁ। লোকটি বললো, আপনার বার্তাবাহক বলেছেন, আপনি এরশাদ করেন যে, আমাদের উপর বছরে এক মাসের রোজা ফরজ? জবাবে তিনি বললেন, হ্যাঁ। (তিরমিযী শরীফ-৬১৯)