সূরা-আল-ইমরান-বাংলা-অর্থ-(আয়াত-৮২-১০১)

সুরা-আল-ইমরান
আয়াত-২০০

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু

فَمَن تَوَلَّىٰ بَعْدَ ذَ‌ٰلِكَ فَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ

৮২। সুতরাং যে-ব্যক্তি ফিরিয়া যাইবে ইহার পরে, তবে এইরূপ ব্যক্তিই অমান্যকারী।

أَفَغَيْرَ دِينِ اللَّهِ يَبْغُونَ وَلَهُ أَسْلَمَ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ طَوْعًا وَكَرْهًا وَإِلَيْهِ يُرْجَعُونَ

৮৩। তবে কি তাহারা আল্লাহর ধর্ম ব্যতীত অন্য কোন পন্থা অন্বেষণ করে? অথচ আল্লাহর সমীপে সমস্তই নতশির রহিয়াছে, যাহাকিছু আসমানসমূহে এবং যাহা যমিনে আছে স্বেচ্ছায় এবং অনিচ্ছায়। আর সমস্তকে খোদারই দিকে প্রত্যাবর্তিত করা হইবে।

قُلْ آمَنَّا بِاللَّهِ وَمَا أُنزِلَ عَلَيْنَا وَمَا أُنزِلَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَالْأَسْبَاطِ وَمَا أُوتِيَ مُوسَىٰ وَعِيسَىٰ وَالنَّبِيُّونَ مِن رَّبِّهِمْ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّنْهُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ

৮৪। আপনি বলিয়া দিন, আমরা ঈমান রাখি আল্লাহর প্রতি আর উহার প্রতি যাহা আমাদের উপর নাযিল করা হইয়াছে, আর উহার প্রতি যাহা নাযিল করা হইয়াছে ইব্রাহীম ও ইসমাঈল ও ইসহাক ও ইয়াকুবের সন্তানদের প্রতি। আর উহার প্রতি যাহা দেওয়া হইয়াছে মূসা ও ঈসা এবং অন্যান্য নবীগণকে, তাঁহাদের রবের নিকট হইতে। আমরা তাঁহাদের কাহারও মধ্যে (ঈমান আনয়নে) পার্থক্য করি না, এবং আমরা তো আল্লাহরই অনুগত।

وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ

৮৫। আর যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম অন্বেষণ করিবে, তবে উহা তাহা হইতে গৃহীত হইবে না। আর সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভূক্ত হইবে।

كَيْفَ يَهْدِي اللَّهُ قَوْمًا كَفَرُوا بَعْدَ إِيمَانِهِمْ وَشَهِدُوا أَنَّ الرَّسُولَ حَقٌّ وَجَاءَهُمُ الْبَيِّنَاتُ ۚ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ

৮৬। আল্লাহ্ কিরূপে হেদায়েত করিবেন এমন কাওমকে, যাহারা কাফের হইয়া গিয়াছে ঈমান আনার পর! এবং নিজেদের এই স্বীকৃতির পর যে, রাসুল সত্য এবং ইহার পর যে, তাহাদের নিকট উজ্জল প্রমাণসমূহ পৌঁছিয়াছিল। আর আল্লাহ্ তা‘আলা এমন যালেম কাওমকে হেদায়েত করেন না।

শানে নুযুলঃ

১। পূর্ববর্তী আয়াতে বলা হইয়াছে, নবী ও উম্মত সকলের নিকট হইতেই প্রতিশ্রুতি লওয়া হইয়াছে। অথচ এই আয়াতে কেবল উম্মতকে সম্বোধন করিয়া বলা হইতেছে। ইহার কারণ, কোন পয়গম্বর কর্তৃক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা সম্ভব নহে, সুতরাং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারীরা সকলেই উম্মত ছিল। (বঃকোঃ)
২। পূর্ববর্তী আয়াতে ইসলামের সত্যতার বর্ণনা ছিল। এখন এই আয়াতে হুযুর (দঃ) কে ইসলামের হাকীকতের সারমর্ম প্রকাশ করিয়া দিতে বলিতেছেন। (বঃকোঃ)

أُولَـٰئِكَ جَزَاؤُهُمْ أَنَّ عَلَيْهِمْ لَعْنَةَ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ

৮৭। এইরূপ লোকের শাস্তি এই যে, তাহাদের প্রতি আল্লাহর লা’নত এবং ফেরেশতাদেরও আর মানুষেরও-সকলেরই।

خَالِدِينَ فِيهَا لَا يُخَفَّفُ عَنْهُمُ الْعَذَابُ وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ

৮৮। তাহারা অনন্তকাল ইহাতে থাকিবে। তাহাদের উপর হইতে থাকিবে। তাহাদের উপর হইতে শাস্তি লাঘবও করা হইবে না এবং তাহাদিগকে অবসরও দেওয়া হইবে না।

إِلَّا الَّذِينَ تَابُوا مِن بَعْدِ ذَ‌ٰلِكَ وَأَصْلَحُوا فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

৮৯। হাঁ, যাহারা তওবা করে ইহার পরে এবং নিজেদিগকে সংশোধন করে, তবে নিশ্চয়, আল্লাহ্ মহা ক্ষমা পরায়ণ, অতীব করুণাময়।

إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا بَعْدَ إِيمَانِهِمْ ثُمَّ ازْدَادُوا كُفْرًا لَّن تُقْبَلَ تَوْبَتُهُمْ وَأُولَـٰئِكَ هُمُ الضَّالُّونَ

৯০। নিশ্চয়, যাহারা কাফের হইয়াছে ঈমান আনার পর, অতঃপর অগ্রসর হইতে থাকে কুফরীতে, তাহাদের তওবা কখনও কবূল হইবে না, এবং এইরূপ লোক সম্পূর্ণ বিপথগামী।

إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمَاتُوا وَهُمْ كُفَّارٌ فَلَن يُقْبَلَ مِنْ أَحَدِهِم مِّلْءُ الْأَرْضِ ذَهَبًا وَلَوِ افْتَدَىٰ بِهِ ۗ أُولَـٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ وَمَا لَهُم مِّن نَّاصِرِينَ

৯১। নিশ্চয়, যাহারা কাফের হইয়াছে আবার মৃত্যৃও হইয়াছে সেই কুফরের অবস্থায়ই, তবে কখনও ইহাদের কাহারও হইতে পৃথিবী-পূর্ণ স্বর্ণও গ্রহন করা হইবে না, যদিও তাহারা বিনিময়স্বরূপ ইহা দিতেও চায়। তাহাদের যন্ত্রণাময় শাস্তি হইবে এবং ইহাদের কোন সাহায্যকারীও হইবে না।

শানে নুযুলঃ

১। যাহারা পবিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর আবার কাফের হইয়া গিয়াছে তাহাদিগকে ‘মুরতাদ’ বলে। ইহাদের মধ্যে কেহ কেহ আজীবন কাফের থাকিয়া যায় এবং মনে করে, আল্লাহ্ আমাদিগকে এখন হেদায়েত দান করিয়াছেন। (বঃকোঃ)
২। মুরতাদ ব্যক্তির তওবা করার অর্থ পুনরায় ইসলাম গ্রহণ করা। (বঃকোঃ)
৩। মুরতাদ ব্যক্তির পুনরায় ইসলাম গ্রহণ ব্যতীত শুধু পাপ হইতে তওবা করিলে তাহা আল্লাহর নিকট কখনও কবূল হইবে না। (বঃকোঃ)
৪। ইহা সুবিদিত যে, হাশরের মাঠে কাহারও নিকট স্বর্ণও থাকবে না। আর যদি ধরিয়াও লওয়া হয় যে, তাহার নিকট রাশি রাশি স্বর্ণ থাকিবে, তবুও সে তদ্দারা উপকৃত হইতে পারিবে না। (বঃকোঃ)

لَن تَنَالُوا الْبِرَّ حَتَّىٰ تُنفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ ۚ وَمَا تُنفِقُوا مِن شَيْءٍ فَإِنَّ اللَّهَ بِهِ عَلِيمٌ

৯২। তোমরা পূর্ণ ছওয়াব কখনও পাইবে না, যে পর্যন্ত না নিজেদের প্রিয় বস্তু ব্যয় করিবে, এবং যাহাকিছু ব্যয় করিবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাহাও খুব জানেন।

كُلُّ الطَّعَامِ كَانَ حِلًّا لِّبَنِي إِسْرَائِيلَ إِلَّا مَا حَرَّمَ إِسْرَائِيلُ عَلَىٰ نَفْسِهِ مِن قَبْلِ أَن تُنَزَّلَ التَّوْرَاةُ ۗ قُلْ فَأْتُوا بِالتَّوْرَاةِ فَاتْلُوهَا إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ

৯৩। তওরাত অবতীর্ণ হইবার পূর্বে ইয়া’কূব নিজের জন্য যাহা হারাম করিয়াছিলেন তাহা ব্যতীত আর সমস্ত খাদ্যবস্তুই বনী ইসরাঈলদের জন্য হালাল ছিল। আপনি বলিয়া দিন; তবে তওরাত আনয়ন কর, অতঃপর উহা পাঠ কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।

فَمَنِ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ مِن بَعْدِ ذَ‌ٰلِكَ فَأُولَـٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ

৯৪। সুতরাং যে ব্যক্তি ইতঃপর আল্লাহ্ তা‘আলার উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে, তবে এই প্রকার লোক অত্যন্ত অন্যায়াচারী।

قُلْ صَدَقَ اللَّهُ ۗ فَاتَّبِعُوا مِلَّةَ إِبْرَاهِيمَ حَنِيفًا وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ

৯৫। আপনি বলিয়া দিন, আল্লাহ্ সত্য বলিয়া দিয়াছেন, সুতরাং তোমরা ইব্রাহীমী ধর্মের অনুসরণ কর; যাহাতে বিন্দুমাত্রও বক্রতা নাই এবং তিনি মুশরিক ছিলেন না।

إِنَّ أَوَّلَ بَيْتٍ وُضِعَ لِلنَّاسِ لَلَّذِي بِبَكَّةَ مُبَارَكًا وَهُدًى لِّلْعَالَمِينَ

৯৬। নিশ্চয়, যে ঘর সর্বপ্রথম মানব জাতীর জন্য নির্ধারিত করা হইয়াছে, তাহা সেই ঘর যাহা মক্কায় অবস্থিত। উহার অবস্থা এই যে, ইহা বরকতবিশিষ্ট এবং সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য পথ পদর্শক।

فِيهِ آيَاتٌ بَيِّنَاتٌ مَّقَامُ إِبْرَاهِيمَ ۖ وَمَن دَخَلَهُ كَانَ آمِنًا ۗ وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا ۚ وَمَن كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ

৯৭। তাহাতে প্রকাশ্য নিদর্শনসমূহ বিদ্যমান, তন্মধ্যে মাকামে ইব্রাহীম একটি; আর যে ব্যক্তি উক্ত গৃহে প্রবেশ করে, সে নিরাপদ হইয়া যায়। আর মানুষের দায়িত্ব (ফরয) আল্লাহর উদ্দেশ্যে এই গৃহের হজ্জ করা অর্থাৎ সেই ব্যক্তির জন্য, যে ঐ ঘর পর্যন্ত যাতায়াতের ব্যয়ভার বহনে সক্ষম। আর যে ব্যক্তি অমান্যকারী হয়, তবে নিশ্চয় আল্লাহ্ সমস্ত বিশ্ববাসী হইতে বে-নেয়ায।

শানে নুযুলঃ

১। ফঃ আয়াতটি হইতে বুঝা যায়, আল্লাহর রাস্তায় যে কোন হালাল মাল ব্যয় করিলেই সওয়াব পাওয়া যায়, কিন্তু প্রিয় বস্তু ব্যয় করিলে অধিক সওয়াব হইবে। (বঃকোঃ)
২। ইয়াহুদীরা বলিত, হে মোহাম্মদ! আপনি উটের গোশত ও দুধ খাইয়া থাকেন আর ইব্রাহীমের ধর্মের উপর আছেন বলিয়া দাবী করেন, অথচ ইহা হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এমনকি হযরত নূহ (আঃ) এর সময় হইতেই হারাম। ইয়াহুদীদের এই দাবী খন্ডনের জন্য আল্লাহ্ এই আয়াতটি নাযিল করেন। (বঃকোঃ)
৩। ইয়াহুদীরা বাইতুল মোকাদ্দাসকে বাইতুল্লাহ্ অপেক্ষা উত্তম করিত। আর মুসলমানগণ বাইতুল্লাহকে উত্তম বলিত। এই বিতর্কে মুসলমানগণ যে সত্য পথে রহিয়াছে ইহারই উল্লেখ করতঃ এই আয়াতটি আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন। (বঃকোঃ)

قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لِمَ تَكْفُرُونَ بِآيَاتِ اللَّهِ وَاللَّهُ شَهِيدٌ عَلَىٰ مَا تَعْمَلُونَ

৯৮। আপনি বলিয়া দিন, হে আহলে কিতাব! তোমরা কেন অমান্য করিতেছ আল্লাহর বিধানসমূহ? অথচ আল্লাহ্ তোমাদের যাবতীয় কাজের খবর রাখেন।

قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لِمَ تَصُدُّونَ عَن سَبِيلِ اللَّهِ مَنْ آمَنَ تَبْغُونَهَا عِوَجًا وَأَنتُمْ شُهَدَاءُ ۗ وَمَا اللَّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ

৯৯। আপনি বলুন, হে আহলে কিতাব! কেন ভ্রষ্ট কর আল্লাহর পথ হইতে এমন ব্যক্তিকে যে ঈমান আনিয়াছে? এইভাবে যে, উক্ত পথের জন্য বক্রতা অন্বেষন কর, অথচ তোমরা নিজেরাও অবগত আছ; আর আল্লাহ্ তোমাদের কর্ম সম্বন্ধে বে-খবর নহেন।

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِن تُطِيعُوا فَرِيقًا مِّنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ يَرُدُّوكُم بَعْدَ إِيمَانِكُمْ كَافِرِينَ

১০০। হে ঈমানদারগণ! যদি তোমরা উহাদের কোন সম্প্রদায়ের কথা মান্য কর, যাহাদিগকে কিতাব প্রদত্ত হইয়াছে, তবে তাহারা তোমাদের ঈমান আনয়নের পরÑতোমাদিগকে কাফির বানাইয়া দিবে।

وَكَيْفَ تَكْفُرُونَ وَأَنتُمْ تُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ آيَاتُ اللَّهِ وَفِيكُمْ رَسُولُهُ ۗ وَمَن يَعْتَصِم بِاللَّهِ فَقَدْ هُدِيَ إِلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ

১০১। আর কেমন করিয়া তোমরা কুফর করিতে পার? অথচ তোমাদিগকে আল্লাহর বিধানসমূহ পাঠ করিয়া শুনানো হয়, আর তোমাদের মধ্যে আল্লাহর রাসুল বিদ্যমান। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন করে, তবে সে নিশ্চয়ই সরল পথ প্রদর্শিত হয়।

শানে নুযুলঃ

১। শাম্মাস ইবনে কায়েস নামক জনৈক ইয়াহুদী মুসলমানদের প্রতি ভীষন হিংসা পোষণ করিত। আওস্ ও খাযরাজ, এতদুভয় সম্প্রদায়কে একতাবদ্ধ ভাবে একই মজলিসে সমবেত দেখিয়া সে হিংসায় জ্বলিয়া উঠিল। অতএব, এতদুভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এক ব্যক্তিকে বলিল, এই উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে যুদ্ধ-বিগ্রহ চলিতে থাকা কালের আত্ম-শ্লাঘামূলক বহু গাথা কবিতা রহিয়াছে, তুমি তাহাদের মজলিসে উপস্থিত হইয়া উহা হইতে কিছু কবিতা গাহিয়া আস। সে তাহাই করিল। কবিতা শ্রবণ করা মাত্র উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে পুরাতন হিংসাণল প্রজ্জলিত হইয়া উঠিল, অধিকন্তু যুদ্ধের স্থান ও সময় নির্ধারিত হইয়া গেল। এখান হইতে কয়েকটি আয়াত এই ঘটনা সম্বন্ধেই অবতীর্ণ হইয়াছে।
২। এখান হইতে মুসলমানদিগকে প্রবোধ দিতেছেন। (বঃকোঃ)